১৯৯৬ সালসোনাপাতিল নলডাঙ্গা মহিলা কলেজ ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং অনুশাসনের বেতর জালে আবদ্ধ না থেকে বরং নারীদের কে পর্দা প্রথার মধ্যে রেখে কি ভাবে অবহেলিত রক্ষিত নারী কি বেগবান করা রাখা যায়, এ হেন চিন্তা চেতনা মাথায় রেখে অগ্র এলাকার কিছু বৃদ্ধিপ্ত, সহজ সরল মানুষের মাথায় আসে একানার একটি মহিলা কলেজ গড়ার। যেই চিন্তা সেই কাজ শুরু হয় আলোচনা সমালোচনা, মিটিং মিছিল আরো কত কি। একদিন সিদ্ধান্ত পাকা হলো। এবার আপন সন্তানের নাম রাখার পালা বিভিন্ন মত বিভিন্ন পথ অতিক্রম করে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হলো বিশাল জনসভায় বড় ভাই বলে কলেজের নাম রাখা হোক জাতির জনক বঙ্গবন্ধুতন সঙ্গী জশাহীর কৃতি সন্তান শহী কামরুজ্জামানের নামানুসারে শহীদ মহিলা কলেজ। কিন্তু ছোট ভাইয়ের যুক্তি হলো যেহেতু সোনাপাতিল গ্রামে কলেজ হলো সেহেতু গ্রামের নামকরণ করা হোক। শেষ পর্যন্ত বড় ভাইয়ের অনিয় উচ্চারিত বাণীই সুর মহিলা কলেজের এক যাত্রা শুরু। এবার তাকে মারার জন্য পার করে দেওয়া হলো। হাটি হাটি পা পা করে চলতেও শুরু করলেন। কিছু পথ অতিক্রম করার পর থমকে দাড়ীদের। কারন পুত্র সন্তানের বাবা হবেন কি ? সরকার বিধান বড় হলে ১৫,০০,০০০/- (পনের লক্ষ) টাকার ব্যাংকে FOR করা লাগবে। এতো বড় এমাউন্ট কোথা থেকে আসবে? এতোমার হেঁটে এসে এবার শহীদ কামরুজ্জামান কলেজ এবার আপন মহিমায় মহিমান্বিত হতে থার্জিন না, শুরু হলো ছোট ভাইয়ের দেওয়া নামটির শেষ পর্যন্ত সবার খোপে সেটাই ঠিক হলো। সাইন বোর্ড লেখা হলো সোনাপাতিল নলতা মহিলা কলেজ”। সেই থেকে পথ চলা শুরু আজো চলছে তো চলছেই। হয়তো চলবে শতবর্ষ পেরিয়ে হাজার বছর। হাজোৰা নাম দেওয়া হল। অবহেলিত হাওড়-বাওড় বিল এলাকার হতদরিদ্র পরিবারের শিক্ষিত বঞ্চিত নারী শিক্ষাকে বেগবান করার লক্ষে অত্র এলাকার কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন।